★ব্রেইন হ্যাকিং ট্রেনিং🔥🔥🔥
আসসালামু আলাইকুম; আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন।
আসলেই কি আমরা ভালো আছি? আজকাল এমন একটা ব্যক্তিও আমরা পাবো না যদি মন খুলে হাসিমাখা মুখে বলতে পারেন“আমি ভালো আছি”; কারনটা কি বলুন তো??
কারনটা হলো আমরা আসলে “ভালো থাকতে ভুলে গিয়েছি”। আমাদের সকলের ভেতরেই দুঃখ-কষ্ট আছে এবং আমৃত্যুপালাক্রমে থাকবে; তাইবলে ভালো থাকা ভুলে গেলে চলবে কেমনে বলুন তো?
আসুন আপনাদের সবাইকে ভালো থাকার কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছি “হিংসা ত্যাগ করে হাসতে শিখুন”।
এটা আবার কি???!!!
আপনি “ভালো নেই” এর অনেক কারণই হতে পারে, তন্মদ্ধ্যে “অভাব” হলো আসল অসুখ কেননা উদাহরনস্বরূপ “আপনারবন্ধুর হাতের ডিএসএলআর কিংবা দামী মোবাইলের সাথে কমপেয়ার করলে আপনার নিজের ভেতরে থাকা দারিদ্রতাবোধই মনখারাপের আসল হেতু”; অতএব মন খারাপকে কিন্তু আপনা আপনিই সেধে ডেকে আনছেন।
সুতরাং অন্যের ভালো দেখে কখনো হিংসা করবেন না; আর যতোই মনে কষ্ট থাক হাসতে শিখুন
কেননা একমাস হাসিই আপনার মনের দুঃখ দূর করার মহাঔষধ!!!
যাই হোক আসল কথায় আসি..........
একজন হ্যাকারের কাছে ডিভাইস হ্যাক করার চাইতেও বেশী সহজ মানুষের ব্রেইন হ্যাক করা। তাই একজন হ্যাকার হ্যাকিং মেথডপ্রয়োগ করার আগে তার তার্গেট সম্পর্কে ডিপলি জানার চেষ্টা করে।
সাইবার জগতে হ্যাকার হতে হলে যেমন আপনাকে বিভিন্ন প্রোগামিং শিখতে হয়- হ্যাকিং টিউটোরিয়াল ফলো করে প্র্যাকটিসকরতে হয় তেমনি মাইন্ড হ্যাকিং করতেও শুরুতেই আপনাকে আপনার ব্রেইনকে ট্রেইন করাতে হবে; আপনার ব্রেইনকে উপযুক্তকরে গড়ে তুলতে হবে।
কিছু নমুনা ফলো করুন:
(১) আপনি যদি সারাদিন শুধু বকবক করেন বা বাচাল স্বভাবের হন তাহলে স্বভাবতই কেউ আপনার গুরুত্বপূর্ণ কোন কথাতেওপাত্তা দিবে না।
সুতরাং সবার নিকট আপনার কথার গ্রহণযোগ্যতা পেতে এমন বাচালতা বাদ দিতে; তাইবলে একদম নিশ্চুপ মন মরা হয়ে যেতেহবে এমনটা নয়।
(৩) কথা বলার সময় অপর পক্ষের কথাও মনোযোগ দিয়ে শুনুন, যদিওবা তা শুনতে আপনার ভালো না লাগে…তাহলে উক্তব্যক্তিও আপনার কথাতে এটেশন দিবেন।
মনে রাখবেন জগতের সবকিছু স্বার্থের সাথে সম্পর্কযুক্ত তাই “আপনি কাউকে কিছু দিলে তবেই তার নিকট হতে কিছু ফিডব্যাকআশা করতে পারেন”।
(২) কথা বলার সময় শান্ত ও ধীরস্থির থাকুন; দৃঢ়ভাবে কথা বলুন; তাহলে আপনি যার সাথে কথা বলছেন তিনিও আপনার কথাশুনতে ফোকাস হবেন।
(৪) উপরের ১ নং পয়েন্টের পর আমি সরাসরি ৩ নং পয়েন্টে চলে গিয়েছি; এটা হয়তো আপনি মিস করেছেন (যদি সেটাফলোআপ করেন তবে আপনি নিশ্চিত সুপার এটেনটিভ)। আপনাকে সবসময় চারিপাশের অবস্থা সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে।
আপনার ব্রেইনের ইনপুট (চোখ, কান আর সিক্স সেন্স) সবসময় এটেনটিভ রাখুন।
"হ্যাকিং আমাদের প্রত্যেকের দৈনন্দিন জীবনের সাথে অজান্তেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে"; হ্যাকিং শুধুমাত্র কম্পিউটার-কিবোর্ডের সাইবার ওয়ার্ল্ডে নয় বরং আপনার-আমার মাথার ব্রেইন তথা সাইকোলজিতে মিশে আছে।
মনে করুন আমি আমার মায়ের সাথে শপিং করতে বেড়িয়েছি; আমার একটা জামা পছন্দ হয়েছে কিন্তু চতুর দোকানদার সেটারদাম চাইছে ৫০০০ টাকা। আমার আম্মু কিন্তু কথার মারপ্যাঁচে কাটিয়ে ছাটিয়ে কমিয়ে সেটা ঠিকই ২০০০ টাকাতে কিনেফেলবেন।
এখানে আমার "মা" হলেন একজন সাইকোলজিক্যাল হ্যাকার!!
এই হ্যাকিং জিনিসটা শপিং করা থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার মার্কেটিং প্লান বিল্ডআপে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। বলাবাহুল্য যে সাইবার হ্যাকিং এর তুলনায় সাইকোলজিক্যাল মাইন্ড হ্যাকিং এর গুরুত্ব - পরিসর- মূল্যায়ন চিরন্তনভাবে অধিকতাৎপর্য্যপূর্ণ!!!
শেষ কথাঃ
জগতের সবচেয়ে বড় হ্যাকিং হলো “মাইন্ড হ্যাকিং” আর সবচেয়ে বড় সফটওয়্যারটার নাম আমাদের “ব্রেইন”!!!
সচেতন হন। নাহলে আপনার সাথে থাকা ডিভাইস গুলো আর একটা গ্রেনেডের মধ্যে পার্থক্য আমি দেখি না।
পোষ্ট লিখেছেন - White Devil 👿 (Niladdin)
Comments
Post a Comment